স্ত্রীর গর্ভের সন্তান হত্যা মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা শ্রীঘরে

0
30
0 Shares

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় ভ্রূণ হত্যা অভিযোগে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় ইফতেখার মোঃ গাউসুল আজম ৩৫ নামে এক উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) কে বুধবারে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার চেঁচরা গ্রামের বাসিন্দা। বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যু নাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আশেকুর রহমান সুজন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পরিচয়ের স‚ত্র ধরে পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার মোঃ গাউসুল আজম ২০২০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারী

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী মোছাঃ তমানিয়া আফরিনকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন। বিবাহের কয়েক মাস পর মোছাঃ তমানিয়া আফরিন অন্তঃসত্তা হয়ে জানতে পারেন তার স্বামী আগের স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন করে তাকে বিবাহ করে ছেন। এরপর পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার মোঃ গাউসুল আজম ২০২০ সালের ১৭ই আগস্ট মোছাঃ তমানিয়া আফরিনের বাবার বাড়ী শেরপুর গিয়ে তার বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।

টাকা না দেওয়ায় পুলিশ কর্মকর্তা তার স্ত্রীকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে তলপেটে লার্থি মারলে তমা নিয়া আফরিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। পরে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গৃহবধু তার স্বামীর বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ পিপি অ্যাডঃ আশেকুর রহমান সুজন এ প্রতিবেদক-কে বলেন, গর্ভের সন্তান হত্যা মামলা দায়ের পর আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করলে,

আসামী পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার মোঃ গাউসুল আজম উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন নেয়। তবে জামিনের মেয়াদ শেষ হলে বুধবার তিনি নিন্মআদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ বিচারক নুর মোহাম্মাদ শাহরিয়ার কবীর শুনানী শেষে ওই পুলিশ কর্মকর্তা কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

জিএম মিজান / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here