সান্তাহারে এসএসসি-১৯৮৮ বিডির মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

0
40
0 Shares

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ “এসো মিলি প্রাণের টানে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে অনুষ্ঠিত হলো এসএসসি-১৯৮৮ বিডির মিলন মেলা। শনিবার সান্তাহার শহরের ফারিস্তা পার্ক এন্ড কমিউনিটি সেন্টারে দিন ব্যাপী এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রক্তের সম্পর্কের বাহিরে মায়া আর ভালোবাসা মিলেমিশে মানুষে মানুষে যে বন্ধন রচিত হয় সেই বন্ধনের সম্পর্কই হলো বন্ধুত্বের সম্পর্ক। বন্ধু যোগের তেমনই একটি অনলাইন প্লাটফর্ম “এসএসসি-১৯৮৮ বিডি”।

করোনা ভাইরাসের মহামারির করাল গ্রাসে জীবন যাপন যখন বিপর্যস্ত সেই বিপর্যস্ত জীবন-যাপনে একটু স্বস্তির বাতাস এনে দিয়েছিলো ক’জন স্বপ্নবাজ মানুষ। সূচনা করেছিলো এই ভার্চ্যুয়াল গ্রুপের। ঢাকা, যশোর ঘুরে এবার সান্তাহারে অনুষ্ঠিত হলো বন্ধুদের এই মিলন মেলা। বন্ধু- ৮৮ সান্তাহার এর উদ্যোগে এবং লছমী প্রসাদ জয়সোয়াল, নুরুজ্জামান বুলবুল, মোস্তফা আনোয়ার দোলন, মোহাজের হাসান বিপ্লব ও বুলবুল আহম্মেদের নেতৃত্বে এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিন

ব্যাপী এই মিলন মেলার অনুষ্ঠানের প্রথমেই সকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। এরপর চলে বন্ধুদের আড্ডা, বিদেশে অবস্থানরত বন্ধুদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল আড্ডা। অমর একুশে কে সামনে রেখে গ্রুপের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরে বেলা ১২টায় একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী সান্তাহার পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় বক্তব্য রাখেন এসএসসি- ১৯৮৮ বিডির এডমিন রুহুল কুদ্দুস রুবেল,

আদমদীঘি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা বেগম চাঁপা খন্দকার, আরিফ জামান পলাশ, আরসাদ হোসেন খান, ফরহাদ হোসেন রোজেন প্রমুখ। মিলন মেলায় বন্ধুদের পাশাপাশি এসএসসি-১৯৮৮ বিডির সদস্যদের স্ত্রী ও সন্তানরা অংশ গ্রহণ করে। মিলন মেলায় বিদেশসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বন্ধুরা অংশ গ্রহণ করে। স্বৃতিচারন করতে গিয়ে মিলন মেলার উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা বেগম চাঁপা খন্দকার বলেন, অনেক দিন পর আমরা স্কুলের বন্ধু-বান্ধবীরা মিলিত হয়েছি এক সাথে।

জীবন বাস্তবতার সময়ের প্রয়োজনে আমরা প্রত্যেকে বিভিন্ন দিকে ব্যস্ত থাকি। সবার সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ খুব একটা আসে না। তাই সবার সান্নিধ্য পেয়ে ভালো লাগছে। এই বিষয়ে ৮৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী বুলবুল আহম্মেদ বলেন, আমরা আজ সব বন্ধুরা মিলে এত বড় একটা মিলন মেলার অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে আনন্দিত। সব বন্ধরা যদি আন্তরিক থাকে তাহলে প্রতি বছর এ রকম অনুষ্ঠান করতে পারবো বলে মনে করি। স্কুল থেকে পাস করে বের হয়ে যাওয়ার পর সবার সাথে মিলিত হবার সময়

ও সুযোগ খুব একটা হয়ে উঠেনা। আলোচনা শেষে দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি দিয়ে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল খেলাধুলা, কবিতা, নাচ-গান, র‌্যাফেল ড্র, পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাতে মিলন মেলা অনুষ্ঠানের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ব্যান্ড-শো মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সাগর খান / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here