বাজারে ভাল দাম থাকায় আদমদীঘিতে পিয়াঁজ ও মরিচ চাষে ঝুঁকেছে কৃষক

0
236
0 Shares

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বাজারে ভাল দাম থাকায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কৃষকরা চলতি রবি মৌসুমে পিয়াঁজ ও মরিচ চাষে ঝুঁকে পরেছেন। তারা এখন দুটি ফসলের ক্ষেত পরিচর্যা কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছেন।
সরজমিনে আদমদীঘি উপজেলার বড় আখিড়ার মাঠের বেশ কিছু কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, কৃষকরা ধানের পর রবি মৌসুমে মূলত আলু, সরিষা বেশী চাষ করতো। অন্যান্য ফসলের আবাদ এখানে খুব কম হয়। কিন্তু চলতি মৌসুমে এর ব্যতিক্রম হয়েছে। কৃষকরা জানান, আমন ধানের ভাল দাম না পেয়ে ক্ষুদ্র কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ সব কৃষকের মধ্যে অনেকেই পিয়াঁজ ও মরিচ চাষ করছেন। বাজারে এই দুটি ফসলের ভাল দাম রয়েছে। এতে তারা আমনের ক্ষতি পুঁষিয়ে বাড়তি লাভের আশা করছেন। ভাল ফলনের আসায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। ইতি মধ্যে অধিকাংশ কৃষক জমিতে চারা রোপনের কাজ শেষ করেছেন। এখন চলছে ক্ষেত পরিচর্যা। এ কাজে তারা ব্যাস্ত সময় পার করছেন। ছাতিয়ানগ্রামের আব্দুর রাজ্জাক জানান, এক বিঘা জমিতে আগাম মরিচ চাষ করে ভাল ফলন পাচ্ছি। তার মত অনেকেই ক্ষেত হতে মরিচ তুলতে শুরু করেছেন। তারা বাজারে এর ভাল দাম ও পাচ্ছেন। তিনি আরোও বলেন, পিয়াঁজ ও মরিচ উৎপাদন খরচ কম। বাজারে ভাল দাম রয়েছে। তাই চলতি মৌসুমে অনেক কৃষক প্রথম বারের মত ওই দুটি ফসল আবাদ করেছেন। কৃষকরা আশা করছেন আবহাওয়া অনকুলে থাকলে ইরি ধান চাষের পূর্বেই তারা এ ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। আদমদীঘি উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, প্রতি বছরই কম বেশী পিয়াঁজ ও মরিচের চাষ করেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে চলতি রবি মৌসুমে তুলনা মূলক এ দুটি ফসলের আবাদ বেশি হয়েছে। এ বছর উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে পিয়াঁজ ও ১৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারি জানান, বাজারে ভাল দাম থাকায় কৃষকগণ পিয়াঁজ ও মরিচ চাষে উৎসাহী হয়েছে। এবারই প্রথম অনেক কৃষক ওই দুটি ফসল চাষ করেছেন। তাদের নিয়মিত কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষকরা স্থানীয় ও উচ্চ ফলনশীল জাতের পিয়াঁজ ও মরিচ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে তারা ভাল ফলন পাবেন।

সাগর খান / দৈনিক সংবাদপত্র

0 Shares

পোস্ট টি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানঃ