বাংলাদেশকে ৯৪ কোটি ডলার সহায়তা দিবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি

0
26
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত
0 Shares

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কিনতে বাংলাদেশকে ৯৪০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। মঙ্গলবার (২৩ই ফেব্রুয়ারী) সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব সাংবাদিকদের সাক্ষাতের বিষয়ে জানিয়ে বলেন, সাক্ষাতে করোনা মহামারি দূর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রসংশা করেন মনমোহন প্রকাশ। এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সফল ভাবে করোনার টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেন মনমোহন প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (২৩ই ফেব্রুয়ারী) যশোরের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে যুক্ত হন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের অবস্থা যেন আরও দৃঢ় হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হবার সুযোগ পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস বিশ্বকে অর্থনৈতিক ভাবে স্থবির করে দিয়েছে। আমরা আমাদের সীমিত শক্তি নিয়ে অর্থনীতির গতি সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়েছি। চেষ্টা করছি দেশকে এগিয়ে নিতে। ইতো মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। পাশাপাশি আমরা অবকাঠামো উন্নয়নের বড় বড় অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ অঞ্চল। এ দেশের মানুষের উপযুক্ত বসবাসের জন্য একটা ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা ও দূরদৃষ্টিকে সামনে রেখে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করি। ইতোমধ্যে আমরা বিমানবাহিনীতে সংযোজন করেছি মিগ-২৯ সহ বিভিন্ন ধরনের ফাইটার বিমান, সর্বাধুনিক অ্যাভিওনিক্স সমৃদ্ধ পরিবহন বিমান, ইউটিলিটি হেলিকপ্টার, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ বিমান, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এয়ার ডিফেন্স র‌্যাডার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণ যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, নতুন নতুন ঘাঁটি ও ইউনিট। প্রতিষ্ঠা করেছি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় পতাকা লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত। পতাকা হলো জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। তাই পতাকার মান রক্ষা করা সামরিক বাহিনীর সব সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা যে কোনো ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান ও গৌরবের বিষয়। এই সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে আপনারা একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।

জালাল / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here