বগুড়ায় যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

0
51
বগুড়ায় যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
বগুড়ায় যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
0 Shares

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহলু উপজেলার পৌর মঞ্চে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধাওয়া-পাণ্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধা ৭টায় ঘটনাটি ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও লাঠিচার্জ করে। উক্ত ঘটনায় ১০জন আহত হয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাহালু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।

সন্ধায় সংগঠনটির উপজেলা কমিটি গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পদ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে শুরু হয় হট্টগোল। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সম্মেলনে প্রধান অতিথি জেলা আওয়ামী লীগে সভাপতি মজিবর রহমান মজনু। এ সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান শাহীনের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আ’লীগের সাঃ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, বিশেষ বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছা সেবকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলু, জেলা আ’লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এডঃ জাকির হোসেন নবাব, কাহালু উপজেলা আ’লীগ সভাপতি পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন কবিরাজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীন, সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত,

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম এ প্রতিবেদক-কে বলেন, ‘আমাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগের মধ্যে কোনো কোন্দল নেই। সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পিএম বেলালের নির্দেশে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় আমাদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে যুবলীগ নেতারা। উপজেলা যুবলীগের সাঃ সম্পাদক ইউনুস আলী টনি এ প্রতিবেদক-কে বলেন,

যুবলীগ সম্মেলনে হামলা চালায় নি। বিচ্ছিন্নভাবে যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী ওই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম এ প্রতিবেদক-কে বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে আমরা শর্টগানের ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছি।

জিএম মিজান / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

পোস্ট টি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানঃ