বগুড়ায় ভুল চিকিৎসায় শিশু পঙ্গু।

0
188
0 Shares

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় ভুল চিকিৎসায় তিন বছরের শিশুর ডান হাত পঙ্গু করে দেওয়ার অভিযোগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মূতীসহ চার ডাক্তারের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় ওই শিশুর মা ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া বাদী হয়ে জেলা বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান অভিযুক্ত চার ডাক্তারের আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারী করেছেন আদালত। অভিযুক্ত চার ডাক্তারেরা হলেন- শহরের কলোনি এলাকার হেলথ সিটি হসপিটালের ডাঃ লিমন, ডাঃ রেজওয়ান ও ডাঃ সাবিহা। পুরান বগুড়া এলাকার মোঃ মোমিনুর রহমানের স্ত্রী ফৌজিয়া মামলায় অভিযোগ করেছেন, গত বছর (২০ সেপ্টেম্বর) তার তিন বছরের পুত্র সন্তান ফাহিম মুবাশশির পড়ে গিয়ে ডান হাতের কনুইয়ের হাড় ভেঙ্গে যায়। প্রথমে ওই শিশুকে ডাঃ মহিউদ্দিন আসলাম কৌশিক কে দেখালে তিনি পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। পরে ফৌজিয়া তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন পঙ্গু হাসপাতালের ডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মূতী (সূবর্ণ) বগুড়া পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ বাদী তার পুত্র সন্তানকে ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মূতীকে (সূবর্ণ) দেখালে তিনি ফাহিমের ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ও রগের এক সঙ্গে অপারেশন করে ভালো হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন। এরপর বাদী সরল বিশ্বাসে ওই ডাক্তারের কাছে ছেলের অপারেশন করান। অপারেশনের সময় ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মূতী ও তার সহযোগী চিকিৎসরা ভিকটিমের ডান হাতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে ফেলেন। এর ফলে ফাহিমের হাতের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বর্তমানে তা আরও গুরুতর হয়ে হাতটি পঙ্গু হয়ে যায়। বাদী ফৌজিয়া এ প্রতিবেদক-কে বলেন, ডাক্তারেরাই আমার ছেলের পঙ্গু হওয়ার জন্য দায়ী। এ জন্য আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য বাদী মামলাটি দায়ের করেছেন। ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মূতী (সূবর্ণ) এ প্রতিবেদক-কে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

জিএম মিজান/ দৈনিক সংবাদপত্র

0 Shares

পোস্ট টি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানঃ