বগুড়ায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বিশেষায়িত হাসপাতাল

0
209
ফাইল ছবি

বগুড়া প্রতিনিধিঃ কোভিট-১৯ সন্দেহভাজনদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শহরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্র ছোট পরিসরে আগামীকাল সোমবার থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে চাহিদামতো পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হতাশায়। গত ২৪ মার্চ হাসপাতালটিকে আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনা করে সেখানে ১২০ টি বেড প্রস্তুত করা হয়। কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গ চালুর জন্য ঢাকায় আইসিইউ ১০ সেট, পিপিই ৫ হাজার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ৫০ টি, নেবুলাইজার ১০০ টি, ঔষধ, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, বায়ো কেমিকেল এনালাইজার চাওয়া হয়।

প্রথম ধাপে ১০০ পিপিই পাঠানো হয়। হাসপাতালে দেখা যায়, সেবিকারা তাদের কাজ গুছিয়ে নিচ্ছেন। করিডোরে দেখা যায়, ৪/৫ জন সেবিকা একসাথে বসে বিভিন্ন দোয়া পাঠ করছেন। কেউ আবার ওয়ার্ডের ভিতরে নিজেদের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা করছেন। হাসপাতাল কতৃপর্ক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অত্র হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ শফিক আমিন কাজল এ প্রতিবেদক-কে বলেন, আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনার পর চালু না করায় সমালোচনা হচ্ছে। এ ষিয়ে ঢাকায় যোগাযোগ করা হয়েছে। সোমবার থেকে এটা ছোট পরিসরে চালু করতে বলা হয়েছে। তিনি সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী সব পাওয়া যায়নি। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ধার করে দুটি আইসিইউ বেড আনা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত নতুন করে ৩শ পিপিই ও আগের ১শ পিপিই মিলে ৪শ পিপিই আছে। ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এর ষিষয়ে কোন সাড়া নেই। শুধু যারা গুরুতর ও শ^াসকষ্ট আছে সেই রোগী ছাড়া কাউকে ভর্তি করা হবেনা। জরুরী বিভাগে জ্বর, সর্দি কাশির চিকিৎসা দেয়া হবে। অন্যসব রোগীর চিকিৎসা এই হাসপাতালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ডাঃ কাজল আরও বলেন, করোনার পরীক্ষার জন্য বায়োসেপটিক ল্যাব টু লাগবে। সেটা এখানে নেই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বায়োসেপটিক ওয়ান ল্যাব রয়েছে। সেটা দিয়ে কাজ হবেনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সেবিকা সাহসিকতার সাথে বলেন, ভয় করে লাভ নেই। রোগীর সেবা করায় আমাদের কর্তব্য।

জিএম মিজান / দৈনিক সংবাদপত্র 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here