বগুড়ায় ছাত্রীনিবাসে থেকে অবরুদ্ধ ১৩ ছাত্রী উদ্ধার

0
73
ফাইল ছবি
0 Shares

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া শহরের কামারগাড়ী এলাকায় ভাড়ার দাবিতে মুন্নুজান ছাত্রীনিবাসে ১৩ ছাত্রীকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ। সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রীদের সাথে ভাড়া নিয়ে ছাত্রীনিবাসের সুপার হাফিজা বেগমের সাথে বাকবিতন্ডতার এক পর্যায়ে ছাত্রীদের অবরুদ্ধ করে রাখে সে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মালিক পক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্তে আসার পর ছাত্রীরা ছাত্রীনিবাস ত্যাগ করে। উক্ত ছাত্রী নিবাসের ছাত্রী সরকারি আজিজুল হক কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী রুমা খাতুন বলেন,

‘আজ হোস্টেলে আমি সহ ১৩জন ছাত্রী আসি। আমি আমার রুমে গিয়ে দেখি রুমের সমস্ত জিনিসপত্র তছনছ করে রাখা। পরে দেখি আমার জামা কাপড়সহ দামী জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে। আমার মত আরেক জনের রুমেও চুরি হয়েছে। যেখানে চুরি হয় সেখানে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। তারপরেও হোস্টেলের ইনচার্জ তিন মাসের ভাড়া পরিশোধ করে হোস্টেল ত্যাগ করার কথা বলে। ছাত্রীনিবাসে থাকা এইচএসসি পরীক্ষার্থী দীপান্বিতা বলেন, ‘আমি করোনার কারণে বাড়ীতে চলে যাই। আজ হোস্টেলে বই পত্র নিতে আসলে তিন মাসের ভাড়া ছাড়া হোস্টেল থেকে বের হতে বাধা সৃষ্টি করে।

তিনি আরও বলেন, গরমের সময় প্রায়ই নিচতলায় অনেক গুলো সাপ বের হয়। হোস্টেলের সবাই আতঙ্কে থাকে। মুন্নুজান ছাত্রীনিবাসের সুপার হাফিজা বেগম জানান, এপ্রিল থেকে তিন মাসের ভাড়া চাওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা দিবে না। পরে মালিক আব্দুল্লাহ হেল কাফীর সাথে কথা বললে দুই মাসের ভাড়া নিয়ে ছাত্রীদের ছেড়ে দিতে বলেন। তবে রুমে চুরি হওয়ার এবং নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি কথা বলতে রাজী হননি।

বগুড়া শহরের স্টেডিয়াম ফাঁড়ির উপ পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর দৈনিক সংবাদপত্র প্রতিবেদক-কে বলেন, মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। যার টাকা আছে সে দিয়ে যাবে। আর যার নাই সে পরে এসে দিবে। তবে টাকার জন্য কোন ছাত্রীকে আটকে রাখতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে ছাত্রীনিবাস ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। যদি তাতে বাধাপ্রাপ্ত হয় তবে ওই ছাত্রীনিবাস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জিএম মিজান / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

পোস্ট টি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানঃ