বগুড়ায় চাঁদাবজির অভিযোগে দুই পুলিশ প্রত্যাহার

0
27

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন ইকো পার্কে আসা দর্শনার্থীদের হয়রানি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে বগুড়া সদর থানার দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহারকৃত হলো, উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মোস্তফা ও কনস্টেবল (ড্রাইভার) মাহিদুর রহমান। শুক্রবার দিবাগত রাত ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার রাতে পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) সদর সার্কেল ফয়সাল মাহমুদ। শুক্রবার রাতে পুলিশ সুপারের আদেশে তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। জানা যায়, শুক্রবার দিবগত রাত ৯টায় উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মোস্তফা ও কনস্টেবল (ড্রাইভার) মাহিদুর রহমান মোটর সাইকেল যোগে থানা থেকে ৭ কিলো মিটার দুরে পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন ইকো পার্কে যায়। পার্কে আসা দর্শনার্থীদের বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে হয়রানি করতে থাকে।

রাত সাড়ে ৯টা ৩জন আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেল আটক করে ২ হাজার টাকা দাবি করে তারা। এ নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীদের সাথে দুই পুলিশের বাকবিতন্ডতা শুরু হয়। তখন আশপাশে থাকা দর্শনার্থীরা দুই পুলিশ সদস্যকে ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন ইকো পাকের কর্মকর্তা এসে দুই পুলিশ সদস্যের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাদেরকে থানায় পাঠিয়ে দেয়। পরে বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কে জানালে রাতেই তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মোস্তফা এ প্রতিবেদক-কে বলেন,

তারা মোটরসাইকেলযোগে মম ইন ইকো পার্কের ভেতর দিয়ে পল্লী মঙ্গল যাওয়ার পথে। পার্কের ভেতরে ৩জন আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়। কিছু দর্শনার্থী আমাদের চিনতে না পেরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। পরে পরিচয় দেওয়া হলে তারা চলে যায় এবং মোটরসাইকেল আরোহী তিনজনকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) সদর সার্কেল ফয়সাল মাহমুদ এ প্রতিবেদক-কে বলেন,

ডিউটির বাহিরে কাউকে না জানিয়ে তারা পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন পার্কো যায়। সেখান থেকে একটি অভি যোগ আসায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগটির সত্যতার বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জিএম মিজান

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here