বগুড়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষ

0
23
বিজ্ঞাপন

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কৃষকেরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে নেমেছে চাষিরা। ভোর থেকে বিকেল পযর্ন্ত সময় দিচ্ছেন সবজি ক্ষেতে। আগাম শীতকালীন সবজি বাজারে নিতে পারলে ভালো দাম পাওয়া যাবে। সে জন্য সবার আগে সব সবজি বাজারে নিতে হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যাচ্ছে কৃষকেরা। বগুড়া জেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, জেলায় শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন সবজির ফলন পাওয়া যাবে বলে আশা করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে বলছে, বগুড়ায় শীতকালীন সবজি বরাবরের মত ভালো চাষ হয়ে থাকে। গত বছর বন্যা থাকার পরেও ভালো সবজি চাষ হয়েছে। এবছরও ভালো সবজি পাওয়ার আশায় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছে। বগুড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের কৃষকেরা শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে নেমেছে। এ বছর ১৮ হাজার ১৮৮ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বিপরীতে ফলন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন। আর গত বছর সবজির ফলন হয়েছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। যা চাষ হয়েছিল ১৭ হাজার ৯১২ হেক্টর জমিতে।

বিজ্ঞাপন

শীতকালীন সবজি চাষ করার জন্য জমি তৈরী করতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। জেলা র শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষকেরা শীত নামার পুর্বেই বাজারে শীতকালীন সবজি নিয়ে আসে। উপজেলার এনায়েত পুর, উত্তর শ্যামপুর, মাঝপাড়া, বাকসন, জামালপুর, বারুগারী, মেদিনীপাড়া, উথলী, নারায়নপুর, রায়নগর, হরিপুর, কাজীপুর, এলাকার কৃষকেরা। শীতকালীল সবজি মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, সিম, লালশাক, পালংশাক, পুঁইশাক ও পেঁয়াজ। উত্তর শ্যামপুর গ্রামের কৃষক জিন্নাহ এ প্রতিবেদক-কে বলেন,

আমি ৪০ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করেছি। এ বছর শ্রমিকের মজরি একটু বেশি, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে এবং দাম ভালো পাওয়ার আশা করছি। শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মোজাহিদ এ প্রতিবেদব-কে বলেন, এ বছর উপজেলায় এক হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতকালীন সবজির দিকে উপজেলার কৃষক দের বিশেষ নজর থাকে। এবছর ১হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষাবাদ হচ্ছে।

আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের আশা করছি। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান এ প্রতিবেদব-কে বলেন, বগুড়ায় সবজি চাষ শুরু হয়েছে। গত বছর ভালো ফলন পাওয়া গিয়েছিল। এ বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৭হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন।

জিএম মিজান

বিজ্ঞাপন

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here