প্রাধানমন্ত্রী বাগেরহাটে একশ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে

0
184
ফাইল ছবি

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ মানবতার মা মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র জনগোষ্ঠির মাঝে বাগেরহাটে একশ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বাগেরহাটে নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়িতে থাকা কর্মক্ষম বেকার হয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠির মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। রোববার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের সুগন্ধি গ্রামের আশ্রয় কেন্দ্রের গুচ্ছগ্রাম পল্লীতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।

প্রথমদিনে বাগেরহাট সদর উপজেলার মোট ৯০টি পরিবারের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী চাল, ডাল, আলু, তেল, লবন, পেঁয়াজ ও সাবান বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রের গুচ্ছগ্রামের ৪০টি পরিবার ও বেদে পল্লীর ৫০টি পরিবারকে সহায়তা দেয়া হয়। প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি করে ডাল, তেল, লবন ও পেঁয়াজ এবং হাত ধোয়ার জন্য একটি করে সাবান দেওয়া হয়।  এসময় অন্যান্যের মধ্যে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুল ইসলাম,বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল্লুর রহমান, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা ফিরুজুল ইসলাম .সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীনসহ স্থানীয় নেতারা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয়রা যার যার ঘরে থাকছেন। সবাই মিলে ঘরে থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করি। এই অর্ন্তবর্তিকালীন পরিস্থিতিতে আমাদের যারা দিন আনে দিন খায় সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠি ঘরের বাইরে আসতে না পারায় তারা কর্মক্ষম হয়ে পড়েছে। সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য সরকার যে ত্রাণ সহয়তা বরাদ্দ দিয়েছে তা ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি। বাগেরহাট জেলায় একশ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা সরকার বরাদ্দ দিয়েছে। আমাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে আমরা বাড়িতে অবস্থান করছি। বাড়ির থেকে বাইরে যেতে না পারায় আমাদের রোজগার বন্ধ রয়েছে। আমরা খুব কষ্টের মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছি। বাড়িতে থাকা নিন্ম আয়ের দরিদ্র মানুষকে সরকার সাহায্য করায় খুশি বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

মাসুম হাওলাদার / দৈনিক সংবাদপত্র 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here