পাঁচবিবিতে সরকারী রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণ

0
38
বিজ্ঞাপন

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতাঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সরকারী রাস্তা দখল করে প্রচীর নির্মাণের অভি যোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের পূর্ব কুয়াতপুর গ্রামে। সরকারী রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণ বন্ধ ও রাস্তা উদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছে গ্রাম বাসী। অভিযোগে জানা যায়, কুয়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রামের প্রভাবশালী কাজী আব্দুর রহমান ও তার ছোট্ট ভাই আব্দুস সামাদের বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে আন্দরগাঁও মৌজার সিট নং ১ এর উত্তরে সিট নং ২ এর ১৫০১ ও ১৫০২ দাগের পশ্চিমে কুয়াতপুর মৌজার ১৬০ নং দাগের সরকারী রাস্তার অংশতে

মাটির দেওয়াল তৈরী করে দখল করে ছিল। কিছুদিন পূর্বে উক্ত দেওয়া ভাঙ্গিলে এলাকাবাসী চলাচলের জন্য সরকারী রাস্তা ছেড়ে দিতে বললে তারা উল্টো টিনের বেড়া দিয়ে রাতের আধারে ইটের প্রাচীর নির্মাণ করেন।
এলাকাবসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ১৭ই আগস্ট স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান গত ২৩শে আগস্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার জন্য অনুরোধ করেন এবং ২৪ শে আগস্ট উক্ত স্থান মাপযোগের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট সার্ভেয়ার চেয়ে আবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

২৪শে আগস্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মাপযোগ করে সরকারী অংশে খুঁটি গেড়ে দেন এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থাপনা নিমার্ণ বন্ধ রাখার নোটিশ দেন। কিন্তুু সংশ্লিষ্টদের দেওয়া সকল নির্দেশ অপেক্ষা করে কাজী আব্দুর রহমানের ছোট্ট ভাইয়ের স্ত্রী পিয়ারা বেগম ঐ স্থানে প্রাচীর নির্মাণ করতে থাকে। এতে এলাবাসী বাধা দিতে গেলে তাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করার হুমকি দেন। ঐ গ্রামের শিক্ষক সাকোয়াত হোসেন, মকবুল হোসেন, ইউছুফ সহ অনেকে বলেন, সরকারী রাস্তা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করার কারনে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় সেখান দিয়ে ভ্যান যেতে পারে না। এ বিষয়ে আব্দুস সামাদের স্ত্রী পিয়ারা বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের প্রয়োজনে ২/৩ হাত জায়গা নিয়েছি। সরকারের কিছু করার থাকলে করুক।
কুসুম্বা ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তার হোসেন মন্ডল বলেন, সরেজমিনে গিয়ে সরকারী সার্ভেয়ার দিয়ে মাপযোগ করে প্রাচীর নির্মাণ বন্ধ করে দিয়ে এসেছি। তা না মানলে উপজেলা মহোদয়কে জানানো হবে। সহকারী কমিশনার ভূমি এম এ আশিক রেজা বলেন, যদি সে সরকারী রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে প্রাচীর নির্মাণ করে তাহলে বিধি মোতাবেক উচ্ছেদ করা হবে।

মোঃ বাবুল হোসেন

বিজ্ঞাপন

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here