পাঁচবিবিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পশুর হাট

0
136
ফাইল ছবি
0 Shares

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস রোধে সরকারি নির্দেশে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরী সেবা ছাড়া গনজমায়েত না করার নির্দেশনা থাকলেও জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আজ মঙ্গলবার বসেছে পশুরহাট। এ হাটে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটেছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে নেই কোন আতংক। উপজেলা ও জেলা প্রশাসন বলছে সরকারি কোন নির্দেশনা না থাকায় পশুর হাট বন্ধ করা হয়নি। জানা যায়, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন দিন রাত মাইক যোগে করোনা ভাইরাস রোধে সচেতনতার জন্য মাইকিং করলেও এবং সরকারি নির্দেশে জনসমাগম না করার জন্য সেনাবাহিনী নামলেও জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আজ মঙ্গলবার বসেছে বিশাল পশুরহাট।

উত্তরবঙ্গের বৃহৎ এ পশুরহাটে ৩০-৩৫ টি জেলার ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে। সকাল থেকেই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটেছে। এই হাটে ৩০-৩৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটে বলে হাট-ইজাদারও জানিয়েছে। পশুর হাট ঘুরে দেখা যায় রোদে প্রচন্ড ভিড়ের মধ্যে মানুষ পশু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যাদের অনেকের মুখেই নেই কোন মাস্ক। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রশিদনগর গ্রামের পশু বিক্রেতা রাজু মিয়া জানান, সবাই হাটে আসছে তাই আমিও আসছি। করোনা ভাইরাস রোধে তার নেই কোন সচেতনতা।  হাট ইজারাদার হারুনুর রশিদ জানান, সরকারি নির্দেশ না থাকায় আমরা হাট বন্ধ করিনি। পাঁচবিবি উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদিম সারওয়ার জানান, হাট বন্ধের কোন নির্দেশনা আমি পাইনী।

উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই হাটে ৩০-৩৫ হাজার লোকের সমাগম ঘটে, আমি জেলা প্রশাসককে বলা সত্তে¡ও তিনি হাট বন্ধের কোন নির্দেশনা দেননি।  জেলা প্রশাসক মোঃ জাকির হোসেন জানান, সরকারিভাবে কোন নির্দেশনা না থাকায় পশুরহাট বন্ধ করা হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ শহিদুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে একের অধিক লোকের কোন সমাবেশই করা যাবে না। পশুরহাটে ক্রেতা বিক্রেতার সচেতন না থাকায় সেখানে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকির ঘটনা ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য যে, গত ১৯ শে মার্চ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলায় সকল প্রকার সভা, সেমিনার, মিটিং, সামাজিক অনুষ্ঠান, গণজমায়েত, ধর্মীয় গণজমায়েত এবং সকল প্রকার কমিউনিটি সেন্টার, পার্টি সেন্টার এবং কোচিং সেন্টার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়ে জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত একটি গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

মোঃ বাবুল হোসেন / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here