নোয়াখালীতে ছাত্রদলের সমাবেশে পুলিশের বাধা, আটক ৮ জন

0
37
0 Shares

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ও খাগড়াছড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন আদিবাসী নারীকে গণধর্ষণকারীদের শাস্তির দাবিতে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে পুলিশ বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদলের প্রতিবাদ সমাবেশে লাঠিচার্জ করে। এতে ছাত্রদলে ১৮ নেতাকর্মী আহত হয়

বলে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের ৮ নেতাকর্মী কে আটক করে পুলিশ। সোমবার ২৮ই সেপ্টেম্বর জেলা শহর মাইজদীর পৌর বাজারে সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলো, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক রাকিব বিল্লাহ তুষার, নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম সোহাগ,

পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক রনি সারোয়ার, যুগ্ম-আহবায়ক মিনার, থানা ছাত্রদলের সুজন হাম্মাদী, পৌর ছাত্রদল আশরাফুল করিম পাভেল, নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের মুর্শীদুর রহমান রায়হান, ধর্মপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের এমরান সহ ৮ জন। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অভিযোগ করে জানান, সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে

ছাত্রলীগ কতৃর্ক স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ ও খাগড়াছড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন আদিবাসী নারীকে গণধর্ষণ কারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচী হিসেবে আমরা জেলা ছাত্রদল আয়ো জিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে পৌর বাজারের সামনে সমাবেশ করছিলাম। এসময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে হামলা চালিয়ে ১৮ জনকে আহত করে।

ছাত্রদলের ৮ জন নেতাকর্মী কে আটক করে নিয়ে যায়। ছাত্রদল সভাপতি দুখু ধর্ষণের শাস্তির দাবিতে আয়ো জিত কর্মসূচীতে পুলিশি লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা এবং নিরপরাধ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সমাবেশ থেকে ছাত্রদলের ৮ নেতা কর্মীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে শহরে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ নিচ্ছিল। এ সময় পুলিশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ঘটনাস্থল থেকে ৮ জন কে আটক করে।

মনিরুল ইসলাম ফয়সাল / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

পোস্ট টি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানঃ