নিজের স্বার্থে হীন চরিত্রার্থে ঘোলা পানিতে শিকার করবেন না

0
189
ফাইল ছবি

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান-সাজ্জাদুল হাসান বলেন উন্নয়নের জন্য আমরা সকলেই মিলেমিশে কাজ করবো, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ যারা করেন বা বিভিন্ন সংঘঠন সাথে জড়িত তাদেরকে বলবো বিবেকের সাথে কোন সময় প্রতারণা করবেননা, সৎপথে থাকবেন এবং সততাই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি, বিশেষ করে আমি তরুণ প্রজন্মকে বলবো যে তোমরা তোমাদের ভবিষৎ অনেক উজ্জল হবে, তোমাদের নিশ্চয় আমাদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে তোমরা কি চাও, কেউ যদি তোমাকে বলে তুমি একজন সন্ত্রাসী সেটা নিশ্চয় তোমার কাছে ভালো লাগবে না , তুমি ভালো করে মানুষ হবে, ভালো ভাবে পড়ালেখা করবে, সেটিই তেমাদের মা-বাবা চাইবে, তোমাদের মাঝে সুন্দর বিবেক থাকবে, তোমাদের মাঝে সুন্দর সততা থাকবে, তোমরা নিজেদেরকে সেইভাবে জাগ্রত করবে, আমি দেখি অনেক সময় ফেইসবুকে অনেকেই অনেক কিছু লিখেন, অমি শুধূু দেখিই যায়, কিন্তু নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করতে হবে আমি যা করছি আমি সঠিক করছি কিনা আমি বলছি তা সঠিকভাবে আমি বলছি কিনা এবং লিখছি কিনা, মানুষের মাঝে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকতে পাওে, তাই বলে কাউকে অন্যায়ভাবে দমন করা কারোর এখতিয়ার নাই। এই লোহিয়ার মাঠে ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সহ-পরিবারে শহিদ হওয়ার পর প্রতিরোধ যোদ্ধারা গায়েবানা জানাযার নামাজ পড়তে গিয়ে প্রতিরোধ যোদ্ধা – মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মাহবুব কাঞ্চন, মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক হীরা, সুবোধ চন্দ্র রায় তাদেরকে উল্টো করে গরম পানি ঠেলেছিলো, এই শহিদ মুক্তিযোদ্ধা আলী উসমান স্মৃতি পার্কে ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের হত্যার প্রতিবাদে প্রথম গণ আদালতের বিচার হয়েছিলো যাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমার পিতা মরহুম ডাঃ আখলাকুল হোসাইন আহমেদ, নতুন প্রজন্মের জানার দরকার এই শহিদ আলী উসমান স্মৃতি পার্কের ইতিহাস- মুক্তিযোদ্ধের সময় কলমাকান্দার সীমান্তে পাক-হানাদার বাহিনীদের সাথে সম্বমূখ যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন এই সেই শহিদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলী উসমান। আমার পিতা ছিলেন ক্যাম্পিং ইনচার্জ – বাংলাদেশ বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে শহীদ আলী উসমান গণী শিশুপার্কে দেয়া এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরো বলেন, কেউ যদি নিজের স্বার্থে হীন চরিত্রার্থে ঘোলা পানিতে শিকার করতে চান, তা ভূল হবে। আমলা থেকে অবসরে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক এই সিরিয়র সচিবের রাজনীতিতে পদার্পণ উপলক্ষে এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে এ গণসংবর্ধনা জনসমুদ্রে রুপ নেয়।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সম্মিলিত নাগরিক সমাজ আয়োজনে করা এ সংবর্ধনায় জেলার ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানায়। জেলা-উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এ সময় আগামী দিনের রাজনীতিতে তার পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। মুক্তিযোদ্ধা মীর্জা আব্দুল গণীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীগের সহ সভাপতি আব্দুল খালেক, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান খান রতন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, নেত্রকোণা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম খান,মোহনগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লতিফুর রহমান রতন, জেলা আওয়ামী লীগের যুুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নূর খান মিঠু, সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের সাবেক কমান্ডার নূরুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য খায়রুল কবীর খোকন প্রমূখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here