দরবার হোটেলসহ ৪ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

0
90
0 Shares

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ আর মৃত্যুর সংখ্যা, সর্বোচ্চ রেকর্ড করছে প্রতিদিন। লকডাউন যেন সরকার নিজের লাভের জন্য ঘোষণা করেছে, এমন মনোভব সৃষ্টি হয়েছে জনমনে। করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত এত প্রচার প্রচারণা করলেও কর্ণপাত করছেননা কেউ। সবাই যে যার মতো করে অবাধ বিচরণ করছে মহাসড়ক সহ অলিগলিতে।

স্বাস্থ্যবিধিতো দুরের কথা মাস্ক ব্যবহার করছেনা অনেকেই। নানান অজুহাতে লকডাউনের দর্শক হয়ে দিব্যি ঘোরাঘুরি করছে মহাসড়কে। দিনরাত আড্ডা দিচ্ছে পাড়া মহল্লার চায়ের দোকানে। কেউ আবার জীবিকার তাগিদে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে রাজত্ব করছেন মহাসড়কে। লকডাউন যেন তাদের জন্য ঈদের দিন। লকডাউনকে পূঁজি করে দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ ভাড়া আদায় করছেন যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অভিযান পরিচালনা করে দরবার হোটেল নামক একটি খাবারের দোকানসহ চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৯ জুলাই) পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজি স্ট্রেটের ভূমিকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শরীফ উল্লাহ এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দরবার হোটেলকে চার হাজার, পৌর এলাকার কাচারি সড়কস্থ এ বি এম স্টোর (কসমেটিক্স) কে দেড় হাজার,

দীনি কুতুব (কসমেটিক্স)কে এক হাজার ও হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি মহাসড়কস্থ এস এস ট্রেডার্সকে দেড় হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিধিনিষেধ না মেনে হোটেলে বসে খাবার খাওয়াই দরবার হোটেলের চার ভোক্তাকে একশত করে চারশত টাকা জরিমানা করা হয়। সবমিলিয়ে ৮ মামলায় ৮ হাজার ৪ শত টাকা অর্থদণ্ড। এ বিষয় শরীফ উল্লাহ জানান, জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করা হয়।

পৌরসভা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালিয়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে একটি খাবারের দোকানসহ ৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। হোটেলের ভেতরে বসে খাবাররত অবস্থায় যে চারজন ভোক্তা পাওয়া গেছে তাদের জনপ্রতি ১০০ টাকা করে মোট ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সংক্রমণ রোধকল্পে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। এসময় হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে গত পহেলা জুলাই থেকে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার, এতে ২১ দফা বিধিনিষেধের মধ্যে উল্লেখ ছিলি খাবারের দোকান খোলা থাকবে তবে কেউ দোকানের ভিতর বসে খাবার গ্রহণ করতে পারবেনা, শুধুমাত্র পার্সেল নিয়ে যেতে পারবেন। প্রসাধনী কোন দোকান বা শপিং মল খোলা রাখা যাবেনা।

মো. সাহাবুদ্দীন সাইফ

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here