ডিসেম্বরেই পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভজি5G) যুগে প্রবেশ বাংলাদেশের

0
58

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এবার (5G) যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল কম্পানি টেলিটকের মাধ্যমে পঞ্চম প্রজন্মের এই টেলিযোগাযোগ সেবা পরীক্ষা মূলক চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে উচ্চগতির ইন্টারনেট, স্মার্টসিটি, ইন্টারনেট অব থিংকসের (আইওটি) পাশাপাশি শিল্পের অটোমেশনে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় গত মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফাইভজি সেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দেশের পাঁচটি অর্থনৈতিক অঞ্চলেও এই সেবা পৌঁছে দেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনি কেশন কম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। টেলিটক বাদে অন্য মোবাইল অপারেটরের জন্য ডিসেম্বরে ফাইভজি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিয়াভির ‘দ্য স্টেট অব ফাইভজি’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৬৫ দেশের এক হাজার ৬৬২টি শহরে ফাইভজি সেবা দেওয়া হচ্ছে। ২০২১ সালে এখন পর্যন্ত এ সেবা ২০ শতাংশ বেড়েছে। ফাইভজি সেবায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীন। দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় ফিলিপাইন। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে স্মরণীয় করতে ১৬ই ডিসেম্বর চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 5G শুধু উচ্চগতির ডিজিটাল সংযোগই নয়, এটি ডিজিটাল যুগের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাকবোন (মেরুদণ্ড)। এটি ব্যবহার করে জীবনের সব ক্ষেত্রে কৃষি ও শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন করে একটি নতুন যুগ তৈরি করবে। সেটি হবে কৃষি, শিল্প ও তথ্য যুগের পরের যুগ। ফাইভজি প্রযুক্তির সুবিধা: ফাইভজি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে স্মার্টফোনের কানেক্টিভিটি ফোরজির চেয়ে ২০ গুণ বেশি হয়। এমনকি ব্যবহারকারী একটি মুভি ডাউনলোড করে ফেলতে পারেন এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে।

এই সুবিধা পেতে ফাইভজি স্মার্টফোন লাগবে। এরই মধ্যে দেশের বাজারে কয়েকটি ব্র্যান্ড এই স্মার্টফোন এনেছে। দেশেও তৈরি হচ্ছে ফাইভজি স্মার্টফোন।

জালাল 

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here