ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

0
25

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ’রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাহ সিনিয়র মাদ্রাসার উপাদাক্ষ্য, অফিস সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, আয়া ও নিরাপত্তাপ্রহরী নিয়োগে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে। জানা যায়, অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির সম্মতিতে ষ্টাফিং প্যার্টান বহির্ভূত পাবলিক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত ভাতায় নিয়ো জিত আয়া পদে মোছাঃ রেহেনা বেগমকে ০১/০১/২০০০ইং তারিখে লিখিত নিয়োগ দেন।

কথা হয় পূণাঙ্গ নিয়োগে তাকে এ পদটি দেওয়া হবে মর্মে আজ প্রায় দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে অত্র মাদ্রাসায় আয়া হিসেবে প্রথমে ৫০ টাকা মাসিক বেতন থেকে ৫০০ টাকা মাসিক বেতনে এখন পর্যন্ত তিনি কাজ করে চলেছেন।মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজশে অধ্যক্ষ ফাহিম উদ্দীন আয়া পদে অন্য একজন প্রার্থী কে নিয়োগ দেবার প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেন করেছেন বলেও অভিযোগ করেন-রেহেনা। মাদ্রাসা সূত্র জানায়, চলতি বছরের মে মাসের ১৯ তারিখে মাদ্রাসার মোট ৪টি পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

মোট আবেদন পড়ে ৪১ টি। গত ১১ই সেপ্টম্বর সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষার স্থান নির্ধারণ করা হয়। নিয়োগ পরিক্ষা শুরু হওয়ার আগ মুহুত্বেই ডিজি প্রতিনিধি মোঃ খাদেমুল ইসলামকে নিয়োগে র অনিয়ম সমন্ধে অভিযোগ জানালে তিনি উপস্থিত প্রার্থীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি বে-গতিক দেখে পরীক্ষা স্থগিত করেন। এবং অধ্যক্ষ ও সভাপতিকে বলেন ঝামেলা না মিটিয়ে আমাকে কেন আসতে বলেছেন। এটা ঠিক হয়নি। মোছাঃ রেহেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন,

আমি দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর ধরে অত্র প্রতিষ্ঠানে ৫০ টাকা মাসিক বেতনে কাজ করেছি। এখন অধ্যক্ষ বেশি টাকা ঘুষ নিয়ে পছন্দের লোককে নিয়োগ দেবার চেষ্টা করছে। আমার সাথে কথা হয়েছিল উক্ত প্রতিষ্ঠানের পাশে আমার ১০ শতাংশ জমি আছে যা বর্তমান বাজার মূল্যে প্রায় ৪/৫ লক্ষ টাকা দাম হবে। আর জমি ছাড়াও আমি নগদ ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিল। এখন অন্য জনের কাছে বেশি টাকা নিয়েছে বলে আমাকে নিয়োগ দিতে নারাজ। তিনি আরও বলেন, চাকরি দেওয়ার কথা বলে অধ্যক্ষ আমার কাছ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন।

কিন্তু এখন টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা করছেন। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ ফাহিম উদ্দীন মুঠোফোনে বলেন, আমরা নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করিনি। আবেদনকারিরা পরীক্ষার দিন গন্ডগোল করেন। ফলে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। অধ্যক্ষ চাকুরী প্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সঠিক ভাবে পরীক্ষা নেবার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলে চাকরি পাবেনা তাই তারা মিথ্যা অভিযোগ করছে। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, যোগসাজশের অভিযোগ ঠিক না। নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষা হবে এটাই তো নিয়ম।

মনসুর আহাম্মেদ 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here