ঠাকুরগাঁওয়ে দুই গ্রাম্য পুলিশকে পেটালেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি

0
33
0 Shares

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় দীপেন চন্দ্র ও সাহাদেব নামের দুইজন গ্রাম্য পুলিশকে মার পিটের অভিযোগ উঠেছে এমদাদুল ইসলাম ভুট্টু নামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। রোববার ১১ই জুলাই রাতে ওই দুই গ্রাম্য পুলিশ এমনি অভিযোগ করেন। এর আগে বিকেলে সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের পুরাতন গড়েয়া বাজারে পথরোধ করে দুই গ্রাম্য পুলিশকে মারপিট করে সাংবাদিক এমদাদুল ইসলাম ভুট্টু। আহত দুই গ্রাম্য পুলিশ হলেন: গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজি মাটিগাড়া গ্রামের প্রধান চন্দ্র রায়ের ছেলে দীপেন চন্দ্র রায় ও একই গ্রামের শাহাদেব।

অভিযুক্ত এমদাদুল হক ভুট্ট গাজী টেলিভিশন (জিটিভি) ও জেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি। গ্রাম্যপুলিশ দীপেন চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, সারাদেশের মত ঠাকুরগাঁও জেলাতে ও কঠোর লকডাউন চলছে। সে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি আমরা ও কাজ করে যাচ্ছি। শনিবার বিকেলে সরকারের নির্দেশ উপেক্ষা করে পুরাতন গড়েয়া হাটে স্থানীয় ব্যবসায়ী দুলু মিয়া তার দোকান খোলা রাখে। আমরা তাকে দোকান বন্ধ করতে বললে সে উল্টো আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। এক পর্যায়ে সে তার নিজের দোকান ভাংচুর শুরু করে।

তারা আরো বলেন, এরপর সেখান থেকে চলে আসার পর আমরা গড়েয়া ইউনিয়নের দেউনিয়া বাজারে যাই। সেখান থেকে ফেরার পথে পুরাতন গড়েয়া বাজারে দুলুর ভাই সাংবাদিক এমদাদুল ইসলাম ভুট্টুসহ বেশ কয়েক জন আমাদের পথরোধ করে। এ সময় কোন কথা না বলেই আমাকে মারপিট করে। এ সময় আমার সহকর্মী শাহাদেব আমাকে বাঁচাতে আসলে তাকেও তারা মারপিট করে। আমার এই ঘটনার বিচার চাই। এদিকে মার পিটের ঘটনাটি স্বীকার করে সাংবাদিক এমদাদুল ইসলাম ভুট্টু বলেন,

দুই গ্রাম্য পুলিশ আমার ভাইয়ের দোকান ভাংচুর করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রাম্য পুলিশের সাথে একটি অনা কাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল শাহ রোদো শাহ বলেন, দুই গ্রাম্য পুলিশকে সাংবাদিক ভুট্টু এভাবে মারপিট করবে এটা ঠিক হয়নি। কারণ ঐ দুই গ্রাম্য পুলিশ সরকারি কাজই করছিল। তাদেরকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তান ভিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এখণ পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মনসুর আহমেদ 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here