জগন্নাথপুরে বেড়িবাঁধের কাজ নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা

0
29
0 Shares

জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রশাসনের চাপের মুখে বেড়িবাঁধ কাজ নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে। তাড়াতাড়ি কাজ সম্পন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন পিআইসিরা। এতে বেড়েছে মাটি কাটার এক্সেভেটর মেশিনের কদর। যারা মেশিন সংগ্রহ করেছেন, তারা মহা আনন্দে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আর যাদের মেশিন এখনো আসেনি তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা ধার চাইছেন অন্য পিআইসির মেশিন। এভাবে নিজের কাজ শেষ করা নিয়ে তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে হাওরে।

সবারই টার্গেট সরকার কর্তৃক বেধে দেয়া আগামী ২৮ই ফেব্রুয়ারি মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা। ১১ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ভূরাখালি গ্রাম এলাকায় নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের ৪নং প্রকল্পের মাটি কাটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এবার এই প্রথম অল্প দিনের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলো। এ বিষয়ে এ পিআইসি কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য আহমদ আলী জানান, মাত্র ১১ দিনের মধ্যে আমার প্রকল্পের মাটি কাটার কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে ড্রেসিং সহ অন্যান্য কাজও শেষ হয়ে যাবে। প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হলেও পেয়েছি শুধু প্রথম ২৫ ভাগ বিল।

তাই দ্বিতীয় বিল পাওয়ার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান। এ অঞ্চলের ৩ ও ৬নং প্রকল্পের কাজ চলছে। এ দুটি প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস রান্টু বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হবে। তবে ৩নং প্রকল্পে একটি বড় ভাঙন রয়েছে। এতে কাজের তুলনায় বরাদ্দ কম পেয়েছি। তাই সরজমিনে দেখে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। এছাড়া ৭নং প্রকল্পের পিআইসি আবদুস শহিদ,

৮নং প্রকল্পের পিআইসি রয়েল মিয়া ও ১১ নং প্রকল্পের পিআইসি ইউপি সদস্য রুবেল মিয়া প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ৫ ও ১০নং প্রকল্পে এখনো কাজ শুরুই হয়নি। এ বিষয়ে ৫নং প্রকল্পের পি আইসি আবুল কয়েছ ও ১০নং প্রকল্পের পিআইসি ইউপি সদস্য সুজাত মিয়া জানান, শুধু এক্সেভেটর মেশিন সংকটের কারণে কাজ করতে না পারায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি। তবুও আশা করছি আগামী ২/১ দিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। 

নিজস্ব প্রতিবেদক / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here