চাঞ্চল্যকর মাদ্রাসা ছাত্র স্বাধীন হত্যার রহস্য উদঘাটন তিন সহপাঠী গ্রেফতার

0
42
বিজ্ঞাপন

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া শিবগঞ্জের বেলতলী হাফিজিয়া মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের ছাত্র স্বাধীন (৭) কে শ্বাসরোধে হত্যার দ্বায় স্বীকার করে ৬ই জুলাই বগুড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। ওই মাদ্রাসার অপর তিন ছাত্র সুমন ইসলাম (১৬), রুহুল আমিন (১৬) এবং ওমর ফারুক (১৫)। হত্যাকান্ডে জড়িত সুমন ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার তালপুকুরিয়া গ্রামের মোঃ আফজাল হোসেনের ছেলে, রুহুল আমিন মাটিয়াান গ্রামের মেহেদুল ইসলামের ছেলে এবং ওমর ফারুক বাহাদুরপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

বগুড়ার শিবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মাদ্রাসা ছাত্র স্বাধীন হত্যাকান্ডে তার পিতা শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে গত ১৭ই জানুয়ারি শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও থানা পুলিশ কোনো তথ্য উদঘাটন করতে না পারায় বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে সিআইডি বগুড়া জেলা মামলার তদন্তভার অধিগ্রহণ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার ফুয়াদ রুহানি কে। তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ১৩ই মার্চ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্ত শুরু করে।

বিজ্ঞাপন

সিআইডি বগুড়া জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্ম্দ কাউছার শিকদারের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি র মাধ্যমে অীদকতর তদন্তের ওই তিনজনকে গতকাল ৫ই জুলাই সন্ধ্যার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকতা পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার ফুয়াদ রুহানি’র নেতৃত্বে একটি টিম নিজ নিজ বাড়ী থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই তিন সহপাঠিকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তাদের মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতে তাদের একেবারেই ইচ্ছে হয় না। তাই তারা পরিকল্পনা করে এমন একটি কাজ করতে হবে যাতে মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ওই মাদ্রাসার একজন শিশু ছাত্রকে হত্যা সিদ্ধান্ত নেয়।

পরিকল্পনা মোতাবেক চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ সন্ধ্যার পর স্বাধীন কে একাকী পেয়ে মাদ্রাসা সংলগ্ন নদীর পাঢ়ে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। বগুড়া সদর উপজেলার প্রবেশন অফিসার আবু সালেহ মোহাম্মদ নূহ এর উপস্থিতিতে ওই তিন মাদ্রাসা ছাত্রকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হয়। বিজ্ঞ আদালত তিন জনের জবানবন্দী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করে তাদেরকে যশোর সেফহোমে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন।

জিএম মিজান

বিজ্ঞাপন

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here