উচ্চ আদালতের জামিননামা জালিয়াতির ঘটনায় আমিনুল ইসলাম সহ ১৬ জন কারাগারে

0
88
0 Shares

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় জেলা মোটর মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ৯ই ফেব্রুয়ারী দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ই ফেব্রুয়ারী পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। সেই মামলায় উচ্চ আদালতের জামিননামা জালিয়াতির ঘটনায় হাইকোর্টের গ্রেফতারী নির্দেশনা দেয়ার ৯ দিন পর বগুড়ায় যুবলীগ নেতা ও নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ আমিনুল ইসলাম সহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠি য়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন আবেদন করলে জামিন নামঞ্জুর করে কারা গারে পাঠানোর আর্দেশ দেন। বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আসমা মাহমুদ এই আদেশ দেন। অপরদিকে গতকাল বুধবার বিকেল আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণের পর জামিন আবেদন করলে ১৪ আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আর্দেশ দেয় একই আদালত। কারাগারে পাঠানো আসামী রা হলেন, বগুড়া পৌরসভার নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ আমিনুল ইসলাম,

আব্দুল আলিম, আনোয়ার মন্ডল, মোহাম্মদ বাদল, সেলিম, কিবরিয়া, রাশেদুল, সাদ্দাম, মাহমুদ, রতন, সেলিম রেজা, রুহুল আমিন, জাহিদুর রহমান, নুর আলম মন্ডল, বিপুল ও সুমন প্রামানিক। বগুড়ায় জেলা মোটর মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ৯ই ফেব্রুয়ারী দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ই ফেব্রুয়ারী পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে একটিতে জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোট ভাই মশিউল আলম দীপন

বাদী হয়ে উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুল ইসলামকে প্রধান করে ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় ৩৩ আসামির মধ্যে ৩০ জনের জামিননামা ভুয়া নথি তৈরি করা হয়। ভূয়া জামিন নামার ঘটনাটি গত ২৪ই ফেব্রুয়ারী প্রকাশের পরপরই বিচারপতি মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। সেই আদেশে সাত দিনের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করতে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে নির্দেশ দেয়া হয়।

বিষয়টি তদন্ত করতে বগুড়ার মুখ্য বিচারিক হাকিমকে নির্দেশও দেয় আদালত। আরও জানা যায়, বিচারপতি মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের বেঞ্চের উল্লেখ করে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী  জামিন পাওয়ার দাবি করেন বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা ও নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামি। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী এই আদালত থেকে এমন কোনো আদেশ দেওয়া হয়নি এবং সেখানে যেসব আইনজীবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।

জিএম মিজান / দৈনিক সংবাদপত্র 

0 Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here